এক লোক পত্যেক দিন হাটত্ যায় | লোকটার চুরি করিবার বাতিক আছে| একদিন হাটত্ যাবার সমাই ঘাটার গোরোত্ গুয়ার বাগান দেখা পায়া আর চুরি করিবার লোভ সামুলির পাল্লেক নাই | হাতত্ একটা জাউলি ছিল, জাউলিটা ধরি উঠি পড়িল্ গুয়ার গছত্| উমসুম করি গুয়া ছিড়াছে আর জাউলিত ভরাছে| হেন্ সমাইতে বাগানের মালিকও বাড়িত থাকি বাইর হয়া উয়াক দেখি ফেলায়| একটা
গ্রামতে বাড়ি, লোকটা চিনাজানা| বাগানের মালিক লোকটাক দেখিয়া এ্যালা কছে---"কিরে ফলনা, তুই ক্যানে গুয়ার গছত্?" লোকটা তাড়াউ করি চমকি উঠিল্! ধরা পড়ি গেইছে, এ্যালা কি হোবে! লোকটা ভ্যাবাচ্যাকা খায়া গুয়ার গছ্ থাকি নামে আর মনে মনে বুদ্ধি পাকায়| গুয়ার গছ্ থাকি নামিয়া এ্যালা উয়ায় আজেলা সাজেছে, মালিকের সামনোত্ দাড়েয়া কছে- " সেইততো, মুই যাম মানসিটা হাটত্ মুই ক্যানে গুয়ার গছত্! তোমার গুয়া তোমরা নেও মোর জাউলি মোক দেও আর মোক তোমরা ধরি মারো।
গ্রামতে বাড়ি, লোকটা চিনাজানা| বাগানের মালিক লোকটাক দেখিয়া এ্যালা কছে---"কিরে ফলনা, তুই ক্যানে গুয়ার গছত্?" লোকটা তাড়াউ করি চমকি উঠিল্! ধরা পড়ি গেইছে, এ্যালা কি হোবে! লোকটা ভ্যাবাচ্যাকা খায়া গুয়ার গছ্ থাকি নামে আর মনে মনে বুদ্ধি পাকায়| গুয়ার গছ্ থাকি নামিয়া এ্যালা উয়ায় আজেলা সাজেছে, মালিকের সামনোত্ দাড়েয়া কছে- " সেইততো, মুই যাম মানসিটা হাটত্ মুই ক্যানে গুয়ার গছত্! তোমার গুয়া তোমরা নেও মোর জাউলি মোক দেও আর মোক তোমরা ধরি মারো।
করোঙ বাও না করোঙ।
__দুলাল রায়।
বলরামপুর, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।(এ এস আই, সৈয়দপুর থানা, নীলফামারী)
হালিচা:
ছোট গপ্পো