বিহানে বিহানে করিম বাইর হয়া যায় জমি বাড়িত ঠিকমতো ধান হবার নাগছে কিনা দেখির জইন্যে। তা আগোতে শুরু হয় দুনিয়ার হাকডাক। বযো়স কালে ভীমরুতি হওয়ায় বুড়্যা দুই দুইডা বিয়াও কইচ্চে। বৌ গিলা দেখির ঢক হইলে কি হইবে, এক্কেরে ঝগড়ির এক শ্যাষ। সারাদিন দুইটারে মুখ চুলকায়।
করিমঃ কিরে বাড়িত কাইয়ো আছেন না নাই়? মুই মানুষটা কাম করির যাইম আর তোমরা এলাও নাকডাকি ঘুমান। শালীর ঘরোক আজকাই তালাক দিয়া আরেকডা নয়া কইনা আনিম, ত্যাল ধইচ্চে সোগগুলার।
বড় বৌঃ দেখ তোমরা মোর দোষ দিবান নন, মুই কি তোমার ছোট বৌ এর মতো নাকি সারাদিনে স্নো, পাউডার মাখি বেরাং। তোমার সংসারের সোগ কামকাজ তো মুই করো।
পাশের ঘর থাকি দৌড় দিয়া আসি ছোট বৌ গলা উঁচা করি কবার নাগিলঃ হ, মোরে দোষ টা তো দেখবেন। তোমার বড় বৌ মোর নামে ক্লিক ছাড়ির পাইলে বাঁচে। মুই যে একনা দেখতে সুন্দর তোমরা যে মোক একনা আদর সোহাগ করেন সেটা উয়ার সহ্য হয়না। বাড়ির সোগ কাম কি ঐ একলায় করে মুই যে মোর বাপের বাড়ি থাকি কতগুলা যৌতুক আনছোক আর তারে টেকায় যে বসি থাকি সগাইগুলা তিনবেলা গিলেন তাতে একবারো তো মোর সুনাম কননা। মুই একনা কম টেকার স্নো পাউডার মাখো উকনায় তোমার চোখোত নাগে। মুই আইজে বাপের বাড়ি যাইম।
করিম মিঞাঃ শালীরঘর চুপ কর! তোমার দুইডার জ্বলায় মুই জীবনে শান্তি পানুঙ না। সারাটা জীবন তোমরা মোক জ্বলে পুড়ি খা খা কইল্লেন। আইজকায় উকিল ডাকে তোমাক তালাক দিম।এই কথা কইতে কইতে করিম মিঞা বাড়িত থাকি ব্যার হয়া গেইল।
____নিম্মি হক। কুড়িগ্রাম।
হালিচা:
ছোট গপ্পো