কামতা-রাজবংশী রচনা- ধানের লক্ষ্মি খই

ধানের সথে থাকে এই "ধানলক্ষ্মি"।  ইগলা দেখির হয় কালা সবুজ অংয়ের।  ম্যালা মানষি ইয়াক ধানের "লক্ষ্মিখই" কায়ো কায়ো "ধানের গু" বিলি চেনে। হামার জনজাতি আগোত সমায় থাকি এই ধানলক্ষ্মিক মাও লক্ষ্মির আশুরবাদ বিলি মনে করে। যার ধানের ক্ষ্যাতোত এই খই ফুটছিলো তাই নিজক খুবি ভাগ্যবান মনে করে। সগারে ধারনা এই খই ফুটলে ধান বেশি হয়, মানে মাও লক্ষ্মির আশুরবাদ। এই খই দিয়া কপালোত তিলক দিছিলো। এলাও হামার সমাজের হাতে গনা কিছু জাগার অনেক কম মানষি এই খইয়ের তিলক দেয়। এই তিলক নাকি খুবি পবিত্র। সাধু-সন্যাসীরা  ধানের সমাই বিহানে গাও ধুইয়া ইয়ার তিলক ফোটা কপালে দিছিলো, যাতে লক্ষ্মি মাওয়ের কৃপা পাওয়া যায়।
নগত সমায় আধুনিকতার ঠ্যালাত পরিয়া হামার এই বিশ্বাস ও সংস্কৃতি আজি শ্যাষের ঘাটাত দাড়ে আচে।

শ্যাষত একনা কতা কয়া নিঃশ্বাস নেই "" ভাইরে রতন, দিনগিলা নাই আর আগের মতন"।।

____সুজন রায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post