আপনার কি সারাদিন মুখে দূর্গন্ধ হয়ে থাকে? এর মূল কারণ হল আপনি ঠিকমতো দাঁত মাজতে পারছেন না। দাঁত মাজার সঠিক নিয়ম হলঃ ব্রাশটিকে পেন্সিলের মতো হাতে ধরুন, তারপরে এটা দিয়ে ২ মিনিট ধরে সব দাঁত মাজুন। দিনে নিয়ম করে সকালে-রাতে ২ বেলা দাঁত মাজুন। আর পারলে প্রতি বেলা খাবার পর কিছুক্ষণ দারুচিনি দাঁতে ঘষে কুলি করে নিন। দেখবেন কিছু দিনের মধ্যেই মুখের দূর্গন্ধ চলে যাবে।
আর একটা কথা বাহে, ভাত খাবার পর একটা তুলসী পাতা খাবেন এতে মুখের গন্ধ দূর হয়।
🙌
যদি কারো মুখে গন্ধ থাকে তবে জানিয়ে দিন। এতে লজ্জার কিছু নেই। বরং লজ্জা থেকে রেহাই পাবে।
🙌 শুধুমাত্র ক্যাভেটিস এর বিরুদ্ধে লড়াই করাই দাত ব্রাশ করার মুখ্য উদ্যেশ্য নয়। বরং মুখের দুর্গন্ধ রোধ, দাঁতের হলদে ভাব দূর করে প্রাণবন্ত হাসি, ও দাঁতের সুস্থতা রক্ষাও এর উদ্দ্যেশ্য। দাঁতকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে হলে সঠিক ভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। আর দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে কম-বেশি আমারা সকলেই জানি তাই আজ আর এ বিষয়ে কোনো কথা বলবো না। আজ আমরা যে বিষয় নিয়ে কথা বলবো তা হচ্ছে, দাঁত ব্রাশ করার সময় আমরা সাধারণত যে সকল ভুল করে থাকি। সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করেন না: অধিকাংশ মানুষই দাঁত মার্জন করতে বেশি সময় ব্যয় করে না। ডেন্টিস্ট দুই বা তিন মিনিট সময় ধরে দাঁত মার্জন করার সুপারিশ করে থাকেন। কিন্তু অনেকেই এটা করে না। পরবর্তী সময় যখন দাঁত ব্রাশ করবেন তখন ঘড়ি ধরে দাঁত ব্রাশ করুন। সকালে খাওয়ার পর এবং অবশ্যই রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত ২মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করুন। যা করেন তা পর্যবেক্ষণ করেন না: দাঁত ব্রাশ করার সময় সামনে একটি আয়না রাখুন, এতে করে আপনি কি করছেন তা সথাযথভাবে পর্যবেক্ষন করতে পারবেন। আর তা না করে, তাড়াহুড়ো করে দাঁত ব্রাশ করলে, প্লেক, ছাতা এবং ব্যাকটেরিয়া রয়ে যেতে পারে, ফলে দাঁতের মাড়ি সংক্রমিত হতে পারে। আপনার কৌশল পরিবর্তন করা প্রয়োজন: এনামে এর মত শক্তিশালী পদার্থ দ্বারা দাঁত গঠিত হয়। যা ভঙ্গুর রডের মতো। আপনি যখন দাঁতের কোনায় কোনায় ও বিভিন্ন প্রান্তে ব্রাশ করেন, তখন এই ভঙ্গুর রডে ফাটল ধরে এবং দাঁত দুর্বল হতে পারে অথবা ভেঙ্গে যেতে পারে। সঠিক উপায়ে ব্রাশ না করা: অনেকেই এলোপাথাড়ি দাঁত ব্রাশ করেন কিন্তু সঠিক উপায়টা জানেন না। শুধুমাত্র সামনের পাটির কটি দাঁত ব্রাশ করেই কুলকুচা করে ফেলেন অধিকাংশ মানুষ। দাঁত ব্রাশ করার সময় পাশাপাশি এবং উপরে নিচে সব দিকেই ব্রাশ করতে হয়। এমনকি প্রতিবার দাঁত ব্রাশ করার সময় জিভ ও মাড়িও পরিষ্কার করতে হয়। নাহলে সেখানে খাদ্যকণা লেগে থেকে এবং ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হয়। একই টুথব্রাশ অনেক বেশি দিন ব্যবহার: একটি টুথব্রাশ কিনে অনেকেই বছরের পর বছর চালিয়ে দেন। টুথব্রাশের আকৃতি, ব্রিসল কোনো কিছুই ঠিক না থাকলেও দিনের পর দিন নষ্ট টুথব্রাশ ব্যবহার করেন অনেকে। দাঁতের সুরক্ষায় একটি টুথব্রাশ ৬ মাসের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয় কখনই। তাড়াহুড়া করা অথবা অতিরিক্ত ব্রাশ করা: অধিকাংশ মানুষই দাঁত ব্রাশ করার সময় অনেক বেশি তাড়াহুড়া করে। টুথব্রাশে পেস্ট লাগিয়েই কোনরকম অল্প সময়ের মধ্যে দাঁতে কিছু ঘষা দিয়ে কুলি করে ফেলার অভ্যাস আছে প্রায় সবারই। ফলে দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাবার ঠিক মত পরিষ্কার হয় না। আবার অনেকেই অনেক দীর্ঘ সময় ধরে দাঁত ব্রাশ করতে থাকে যা দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকর। দাঁত ব্রাশ করার সঠিক সময় হলো দুই মিনিট। এর কম বা এর বেশি দাঁত ব্রাশ করা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। সঠিক টুথব্রাশ নির্বাচন না করা: দাঁতের যত্নে প্রয়োজন সঠিক টুথব্রাশ নির্বাচন করা। ভালো ব্রিসল যুক্ত টুথব্রাশ কিনতে হলে একটু বেশি খরচ করতে হলে করুন। কারণ টুথব্রাশের ব্রিসল ত্রুটিযুক্ত হলে দাঁতের ফাকে খাদ্যকণা লেগে থাকে যা ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি করে। -সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া।
হালিচা:
দৈনন্দিন টিপস
